অবশ্যই। বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক করা কোন অপরাধ হতে পারে না।
যদি এটা দোষের হয়, তাহলে একজন ছেলে কিংবা মেয়ের জন্যে বিয়েটা কঠিন করে দিয়ে তাকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করার জন্যে সমাজ দায়ী।
আর কোন মানুষই একা শারীরিক সম্পর্ক করে না। স্বাভাবিকভাবেই সংগী বিপরীত লিংগের কেউ হয়ে থাকে। কোন ক্ষেত্রে সম লিংগেরও হয়ে থাকে।
আপনি একজন পুরুষকে যদি একজন অবিবাহিত মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্কের জন্যে দোষী না করেন। তাহলে একজন নারীকে সেই অপরাধী দোষী করতে পারেন না।
এখন সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বলি। আপনি পূর্বে শারীরিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাউকে বিয়ে করেন। অবশ্যই বিয়ের পূর্বে জেনে নিবেন। বিয়ের পূর্বে যৌন সম্পর্কের কারণে যেই সংক্রামক রোগ হতে পারে। সেই পরীক্ষা গুলো করে নিবেন। সেটা দুই জনের জন্যেই প্রযোজ্য। কারণ, যৌনরোগ ছাড়াও অন্যান্য সংক্রামক রোগ এবং জিনবাহিত রোগ গুলো সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি।
সমাজ যদি শারীরিক পরিপক্কতা লাভের পরই সন্তানের বিয়ের বিষয়ে অগ্রসর হয় বা হত, তাহলে সকলেই বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্কে আপত্তি জানাতে পারত।
কিন্তু বিয়ের মূল শর্ত যখন আর্থিক সক্ষমতা অর্জন। এবং নারীর ক্ষেত্রেও শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেয়া হয়। তখন কুমারীত্ব অগুরুত্বপূর্ণ।
আপনি এমন একজন নারী অথবা পুরুষ পাবেন না। যিনি ৩০/৩৫ বছরে যৌন কল্পনা করে হস্তমৈথুন করে নাই। সেচ্ছায় যৌনমিলন করে নাই। কিংবা কারো যৌন লালসার শিকার হয় হয় নাই। এই কাজ গুলো কোন একটি সে অবশ্যই করেছে।
এখন বিয়ে করবেন কিনা সেটা আপনার বিবেচ্য।
ধন্যবাদ।

Post a Comment